28 C
dhaka
শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং | ১১ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | সকাল ১০:২৬
ভূমিহীন বার্তা

করোনা ভাইরাস, প্রকৃতির বিরূপ প্রতিক্রিয়া

এই বিশ্বব্রহ্মান্ড সৃষ্টির মধ্যে, একটি আমাদের মহাবিশ্ব। এই মহাবিশ্বের অগুনতি গ্রহ-নক্ষত্রের মধ্যে পৃথিবী নামের গ্রহটি। পৃথিবী গ্রহটি যখন যৌবনের পূরিপূর্ণতা লাভ করে, অর্থাৎ- মহা জলোরাশির সমুদ্র , মাটি বিস্তৃত ভূ-পৃষ্ঠ, এর মধ্যে পাহাড়-পর্বত, নদী-নালা, বরফ রাজ্য, ঋতু-আবহাওয়া, আকাশে মেঘ-মালার আনাগোনা, বারি বর্ষণ, বৃক্ষলতা-পাতা বেষ্টিত অরণ্য অঞ্চল, এই সুন্দর বৈচিত্রময় পরিবেশ, দেশ-মহাদেশ । কিন্তুু এই সৃষ্টি সুন্দরের মধ্যে প্রাণের স্পন্দন সৃষ্টির শূণ্যতা বিরাজ করছিল। তাই এই সৃষ্টি সুন্দরের ভোগ-দখল এর পরিচর্জা করা এবং গুণ কীর্তন করার জন্য প্রাণীকুলের প্রয়োজন বিধায়, মহান স্রষ্টা, সর্বশেষ-জ্ঞান-বুদ্ধি সম্পন্ন জ্বিন ও মানব জাতিকে সৃষ্টি করেন।

আমরা তাই সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশকে নিয়ে বেঁচে আছি। অথচ-এই প্রাকৃতিক সুন্দর পরিবেশকে রক্ষার দায়িত্ব থেকে আমরা অনেক দূরে সরে গেছি। বিশেষ করে অস্টাদশ শতাব্দীর শিল্প বিপ্লবের সূচনা থেকে, ক্রমবর্ধমান পরিবেশ দূষণ সমস্যা তীব্র সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। পৃথিবীর নানা স্থানে পর্যায়ক্রমে ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে, যা শেষে মানব সভ্যতার জন্যে মহা বিপর্যয় ডেকে আনছে। যেমন- সামুদ্রিক প্রাণী তিমি মাছ ও ডলফিনরা দলবেধে সমুদ্র তীরে ভেসে উঠে, এই প্রাকৃতিক দূষণ প্রক্রিয়ার যন্ত্রণায় আত্মহুতি পথ বেছে নিচ্ছে, প্রাণীকুল পোকা-মাকড়, কীট-পতঙ্গ, সাপ-বিচ্ছু এবং প্রকৃতির উৎসব মূখর সুন্দর পক্ষিকুল ও বন্য প্রাণীরা মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছে। অপর দিকে চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের অপরাগতা, সব প্রাণীকুলের নতুন নতুন সব ভয়াবহ রোগ-ব্যাধি সৃষ্টি হতে দেখে।

এই পরিবেশ বিপর্যয় কারণ সমূহের মধ্যে বিশেষভাবে আমরা চিহ্নিত করতে পারি, (১) পারমানবিক অস্ত্র তৈরি এর ব্যবহার, পারমানবিক বোমার শক্তি পরীক্ষার জন্য সমুদ্রে ও ভূ-গর্ভে বিস্ফোরণ ঘটানো, (২) শিল্পোন্নত দেশগুলোর শিল্পো-কারখানার গ্যসের ধোঁয়া নিঃসরণ ও ময়লা বর্জ্য নিষ্কাশন অব্যবস্থা, (৩) ফসল উৎপাদনে, রাসায়নিক সার ব্যবহার ও কীট নাশক ঔষধ ব্যবহার, (৪) বৃক্ষ নিধন, পাহাড় কাটা ও জলাশয়-নদী ভরাট এবং নদীতে বাঁধ তৈরি করা, (৫) পলিথিং ব্যবহার ইত্যাদি ।

১৯৭২ সালে পরিবেশ রক্ষাকল্পে, প্রতিষ্ঠা করা হয়-ইউনাইটেড নেশন এনভায়রনমেন্ট প্রোগ্রাম। প্রতি বছর ৫ই জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালন করা হয়। বিশ্ব পরিবেশ বিষয় নিয়ে বহু দেশ এগিয়ে এলেও শিল্পোন্নত দেশ গুলো এই জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় তাদের ভূমিকা কার্যত দুর্বল। তাই পৃথিবীর প্রাকৃতিক পরিবেশ ভয়াবহ ধ্বংসাত্বক রূপ নিয়ে গর্জিয়ে উঠেছে। কিয়োটা চুক্তি অনুযায়ী শিল্পোন্নত দেশগুলোর গ্যাসের ধোয়া নিঃসরণ ও ময়লা বর্জ্য মাত্রা ৫ শতাংশে কমানো কথাছিল। শেষে অনেক সভা-সমাবেশ করে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন – ২০২০ সালের মধ্যে পরিবেশ দূষণ মাত্রা ২০ শতাংশ হ্রাসের ঘোষণা দিয়েছিল।

পৃথিবীতে প্লেগ মহামারী আবির্ভাব, হযরত দাউদ (আঃ) এর সময় ভয়াবহ মহামারীর প্রাদুর্ভাব ঘটেছিল। এই মহামরী ঘটনা থেকে পরিত্রাণের বিষয় নিয়ে সর্ব প্রথম পৃথিবীতে মসজিদ তৈরি হয়। বায়তুল মোকাদ্দাস, মসজিদুল আকসা। এই মসজিদটি নির্মাতা ছিলেন হযরত সোলামান (আঃ) এর পিতা হযরত দাউদ (আঃ)। বনি ইসরাইলদের মধ্যে যারা এই সর্বগ্রাসী মহামারীর হাত থেকে প্রাণে বেঁচে গিয়েছিল, তারা মহান ¯্রষ্টার, দরবারে শোকর জ্ঞাপনের জন্য হযরত দাউদ (আঃ) এর নির্দেশে অত্র মসজিদটি নির্মান করেছিল। পৃথিবীর সর্বোত্তম শ্রেণীর শোকর জ্ঞাপনের ইতিহাস খ্যাত স্মৃতিচিহ্ন জেরুজালেমের এই মসজিদুল আকসা। এর পূর্ণ সংস্কার এর সৌন্দর্যবর্ধন নির্মাণ শিল্প কর্মে হযরত সোলায়মান (আঃ) তার অনুগত অসংখ্য জ্বিন-দেও দানব নিয়োগ করে ছিলেন। উমাইয়া খিলাফতের সময় ৬৮৫ সালে সিরিয়া ও আশে পাশের অঞ্চলে ব্যাপকহারে প্লেগ মহামারী দেখা দেয়। সেই প্লেগ রোগাক্রান্ত হয়ে উমাইয়া সাম্রাজ্যের খলিফা মারওয়ান মৃত্যু বরণ করেন। এই মারওয়ান ইসলামের ক্রান্তি কালে “ইমাম হুসাইন (রঃ)” এর বিপক্ষে যাওয়ার এবং কুখ্যাত ইয়াজিদের পক্ষ অবলম্বন করার ইতিহাস রয়েছে।

মধ্যযুগে ১৩৪৭ সালের দিকে মঙ্গোল ও চীন থেকে কালো মরন বা বøাক ডেথ রোগ জীবানু বলে পরিচিত, বলা হয় কালো ইদুর বা কলো বিড়াল থেকে এই রোগ জীবাণু ছড়িয়েছে। ১৩৪৮ সাল থেকে ১৩৫০ সাল পর্যন্ত এই রোগের প্রাদুর্ভাব ভয়াবহ রূপ নিয়েছিল। সমগ্র ইউরোপ বাসীর মধ্যে প্রায় ৬০ ভাগ, অর্থাৎ ৫ থেকে ৬ কোটি মানুষ এই জীবাণু আক্রান্ত রোগে হয়ে মৃত্যু বরণ করেছিল। এরপর ১৯১৮ সালে স্প্যানিস ফ্লুতে বিশ্বের প্রায় ১০ কোটি মানুষের মৃত্যু ঘটেছিল।

২০২০ সালের বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাস আর্বিভাব এর উৎপত্তি স্থল, জীবানু অস্ত্রের পরীক্ষাগার ল্যাবরটরি থেকে লিকেজ, যা করোনা ভাইরাস বলে মানুষের দ্বারা সৃষ্টি হউক বা প্রকৃতিগত ভাবে সৃষ্টি হউক, বিশ্বব্যাপী এই মরনঘাতক করোনা ভাইরাস ভয়াবহ রূপ নিয়ে ছড়িয়ে পড়ছে। দ্রত গতিতে এই রোগ বিস্তার ঘটনা, যা কখনো এই পৃথিবীতে আর ঘটেনি। এর কারণ হিসেবে এই ছোঁয়াচে রোগ বিস্তার ঘটনাকে চীনের গোপন করা। অন্যদিকে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি, পৃথিবীটা ছোট হয়ে আসছে, যে কারণে দ্রত ছড়িয়েছে, পূর্বে প্লেগ-মহামারীতে যে সংখ্যা হারে মানুষের মৃত্যু হয়েছে, সেই তুলনায় করোনা ভাইরাসে মানুষের মৃত্যুর হার অনেক কম, কিন্তু সারা বিশ্বের প্রতিটা অঞ্চলে এই রোগের প্রাদুর্ভাব এবং দ্রতগতিতে বিস্তার এর প্রতিরোধ করা সম্ভব হচ্ছে না। মানুষ তাই এক অজানা অনিশ্চিত আশঙ্কার মধ্যে অস্থিরতা নিয়ে দিনাতিপাত করছে। এমন পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য আমরা দায়ী, আমাদের নানাবিধ কর্মকান্ডের জন্য এখন প্রকৃতি বিরূপ, তাই আমাদের এরফল ভোগ করতে হচ্ছে। যেমন- এ বিশ্বের “ফুসফুস” যাকে বলা হয়, আমাজান মহা জঙ্গল। সেই মহা জঙ্গলের বৃক্ষ লতা-পাতা, পশু-পাখি সভ্য মানুষের দ্বারা ধ্বংস হচ্ছে, মানুষ নতুন শহর গড়ছে, আর দাবানলের লেলিহান অগ্নিশিখায় জঙ্গল পুড়ছে। তাই বলতে হয়, মানব দেহে করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগীর “ফুসফুস” ধ্বংসকারী এক নতুন জীবাণুর আবির্ভাব ঘটেছে, যা বিশ্ববাসীর জন্য প্রকৃতির সতর্ক বানী।

মরন ঘাতক করোনা ভাইরাস এর ছোঁয়াচে রোগ বিস্তার রোধে, সারা বিশ্বের শিল্পো-কারখানা, যোগাযোগ পরিবহন ব্যবস্থা, অফিস-আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, পর্যটন বিনোদন, হোটেল-রেস্তরা ও বাজার-ঘাট সব বন্ধ করা, যা লক ডাইন বলে আমরা জানি। অথচ জল বায়ু পরিবর্তন বিষয় নিয়ে শিল্পোন্নত দেশগুলোর সঙ্গে, বিশ্বের শিল্পো গ্যাসের ধোয়া নিঃসরণ ও ময়লা বর্জ্য যত্রতত্র নিক্ষেপন, এর প্রতিরোধ প্রতিকার বিষয় নিয়ে বহুদেন-দরবার হয়েছে, কিন্তুু শেষ পর্যন্ত এর কোন ফলোদয় হয়নি। তাই প্রকৃতি যেন নিজেস্ব প্রক্রিয়ায়, এই প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ব নিয়েছে। করোনা ভাইরাস মহামারীর কারণে এ সময় সারা বিশ্বের আবহাওয়া পরিবর্তন চিত্র, আসমান-জমিনের নীরব আনন্দ দোলা খেলা আমরা অনেকেই লক্ষ্য করছি। আমরা সভ্যা মানব জাতিরা কখনো এইটুকু সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশ আবার ফিরেয়ে আনতে সক্ষম ছিলাম না।

করোনা ভাইরাস থেকে মানব জাতিকে রক্ষার জন্য, এর প্রতিষেধক ঔষুধ আবিস্কার করার জন্য গবেষকরা করোনা ভাইরাসের কার্মকাÐ নির্ণয় করা নিয়ে ব্যস্ত, কিন্তুু এর সঠিক কুলকিনারা এখনো খুঁজে পাচ্ছেন না। যে ভাবে এই ভাইরাসটি একেক সময় একেক রূপ ধারণ করছে, এর পরিণাম ফল হয়তো আরো ভয়াবহ রূপ নিতে পারে, যদি কখনো এই ভাইরাসটি বাতাসের সঙ্গে মিশে ছড়িয়ে পড়ে, যা মানব জাতির জন্য এই রোগ বিস্তার ঘটনা একটি ভয়াবহ ইতিহাস সৃষ্টি করবে। তাই আমাদের বুঝতে হবে, এই রোগের প্রাদুর্ভাব থেকে মুক্তি এর প্রতিরোধ প্রতিকার একমাত্র মহান ¯্রষ্টার, হাতে বিদ্যমান। সামান্য একটি ভাইরাসের কাছে সারা বিশ্বের মানুষ অকস্মৎ থমকে গেছে, যা কখনো মহাযুদ্ধ-পারমানবিক বোমা বিস্ফোরণ ঘটলেও এ বিশ্ববাসীকে এক কাতার বন্দি করা, এমন দিশেহারা অবস্থার মধ্যে কখনো পড়তে দেখা যায়নি ।

আর্ত মানবতা, মানুষ মানুষের জন্যে। কিন্তুু আমরা দেখছি, আপন জনেরা, করোনা ভাইরাস সনাক্ত রোগের ছোঁয়াচ ও মৃত্যু ভয় জেনে রোগীর সেবাদান তো দূরে থাকুক, রোগীকে ফেলে রেখে সরে পড়ছে, রোগীর খোঁজ খবরটি পর্যন্ত রাখেনা এবং মৃত্যু লাশের দাফন করতেও আসে না। কথায় আছে আসছো এক, যাইতে হবে একা, এখানে কেউ কারো জন্যে নয়, এই কথাটি বাস্তব সত্য। অন্যদিকে করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে মৃত্যু ঝুঁকি জেনেও অনেক ডাক্তার-নার্স ও আর্ত নিবেদিত মানব দরদী মানুষেরা এ রোগের ভয়ভীতি উপেক্ষা করে দিন-রাত সেবা দিয়ে যাচ্ছেন, রোগীর সেবাদানকারী অনেকে আবার মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছেন, কেউ বা এই পরিত্যক্ত মৃত্যু লাশের সংকার করা যে মানুষের দায়িত্ব, এই বুঝে তাই তারা নীরবে সংকার করছে। দেশের এমন বিপর্যয় কালিন অবস্থার মধ্যে অসহায় মানুষের কাছে গিয়ে দাঁড়ানো, এই কর্তব্য জেনে হৃদয়েরটানে অনেকে অর্থ ও খাদ্য দিয়ে সাহায্য করছেন।

তবে এই করোনা রোগ প্রতিষেধক আবিষ্কার হবে। এ ভাইরাস, রোগ প্রতিরোধের বিষয় আমরা অনেকেই জেনেও জানি না। এবার সময় থাকতে সকলের জন্য যা করণীয়, এসি ব্যবহার সাময়ীক ভাবে বন্ধ রাখা, অজু ও গোছল করে দেহকে পাক-পবিত্র রাখা। প্রতিদিন সন্ধায়- ঘরে ধূপের ধোঁয়া বা আগরবাতি ব্যবহার। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ও রাত্রে বিছানায় যাওয়ার ১ ঘন্টা পূর্বে, দুই কি তিন চা চামুচ মধূ-কালি ঝিরা, যা রোগ প্রতিরোধের মহা ঔষুধ, প্রতিদিন খালি পেটে এক বা দুই কোয়া কাচা রসূন সেবন করা, গরম দুধ, গরম চা-লেবু বা আদা দিয়ে দিনে দুই তিনবার পান করা প্রযোজ্য । সবার জন্য মাক্স ব্যবহার এবং দূরত্ব বজায় রেখে চলা।

দেশের দুর্যোগ, বিপর্যয় কালিন অবস্থায়, সরকার ও দেশের রাজনীতি বিদদের জনস্বার্থে দায়িত্ব ও কর্তব্য অনেকগুণ বেড়ে যায়। আমাদের মনে রাখতে হবে, বিশ্বব্যাপী এই করোনা ভাইরাসের কারণে অর্থ-বাণিজ্য ও খাদ্য সমস্যা মারত্বক আকার ধারণ করার বেশি সম্ভাবনা রয়েছে, সেই সঙ্গে বেকার সমস্যা বিশ্ববাসীকে অস্থির করে রাখবে। এ বিপর্যয় থেকে পরিত্রাণের জন্য সরকার ও দেশের রাজনীতিবিদদের কর্মকান্ডের দূরদর্শীতার সঙ্গে পূর্ণ সহযোগিতা থাকতে হবে। জাতীয় দুর্যোগ বলে ঘোষণা দিয়ে সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে, সর্বদলীয় ভাবে এই দর্যোগ মোকাবেলায় নানামুখী প্রস্তুুতি কমিটি গঠন করা । দিক নির্দেশনা দেয়া এবং তৃণমূল পর্যন্ত সাহায্য সহযোগিতার কর্মকান্ড পরিচালোনা করা। পাড়া-মহল্লার সাধারণ মানুষকে এই রোগ ভাইরাস মোকাবেলার বিষয় সচেতন করা এবং নির্দেশ মেনে চলার কঠোর আইন প্রয়োগ ব্যবস্থা করা।

জনসাধারণকে আকৃষ্ট করার জন্য সংবাদ-মেডিয়া-রেডিও, টিভি, মোবাইল, ফেইজবুকে আর্তমানবতার সেবা, নানা বিষয় বিনোদন মূলক অনুষ্ঠান পরিচালনা করা। সরকারের আরো একটি বিশেষ ঘোষণা দেয়া-সংবাদ-টিভি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে, গির্জা-মসজিদ-মন্দির-প্যাগডায়, যে যেখানে মানুষ অবস্থান করছে, সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী একটি নির্দিষ্ট সময় সকলেই এক সঙ্গে এই বিপর্যয় থেকে পরিত্রাণের জন্য মহান স্রষ্টার, কাছে সেজদায় পড়ে এ রোগ মুক্তির প্রার্থনা করা। সর্বোপরি দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতি কর্ম পরিবেশ সচ্ছল রাখার জন্য আগাম প্রস্তুুতি গ্রহণ।

লেখক…

আবুবকর সিদ্দিক (আলম) চৌধুরী
পার্টি লিডার, বাংলাদেশ ন্যাশনাল গ্রীন পার্টি
তাং- ০৯-০৭-২০২০ ইং

আরও পড়ুন...

২০২০ সালে বলিউডে মুক্তি প্রতীক্ষিত ছবি

অনলাইন ডেস্ক, ভূমিহীন বার্তা

ব্যবসায়ীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: যমুনা গ্রুপ চেয়ারম্যান

অনলাইন ডেস্ক, ভূমিহীন বার্তা

ইরানি জেনারেলকে হত্যা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়াবে: রাশিয়া

অনলাইন ডেস্ক, ভূমিহীন বার্তা